আহ্লাদী

কিরে আজ ট্রেনে খুব ভিড় ছিল? ফোন রিসিভ করেই সোম এর প্রথম প্রশ্ন। দুবেলা ছোটো খাটো দুটো বিশ্বযুদ্ধ করে অফিস যাওয়া ও ফেরা রাই এর ডেলি রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোন রকমে ট্রেন থেকে নেমে সোম কে কল করেই সে হাটা দেয় বাড়ির পথে। কথা বলতে বলতে কখন রাস্তা টুকু হেঁটে পার করে ফেলে, বোঝারা আগেই বাড়ির সামনে পৌঁছে যায় টুপ করে।

ক্লান্ত, বিধস্ত গলাই উত্তর এল, কি ভীষণ ভিড়, চুল ছেঁড়াছিঁড়ি, জামা টানাটানি, সব সামলে প্রানটা হাতে নিয়ে নামলাম। সোম খিক করে হেসে নিয়ে, নিজেকে শুধরে বললো “ইস! কি কষ্টরে তোর।”

রাই বললো ” হমম ! হাস হাস, হাসবি তো। আমি তোর কে?”
“থামতো। একটা জরুরী কথা শোন, ট্রেনে ওঠার সময় আর নামার সময়ই ব্যাগটা সাবধানে রাখিস, লোকাল ট্রেনে কিন্তু চোর থাকে” সোম বলল।

উত্তর এলো, “কেন রে? আমি কি লাখ টাকা নিয়ে ঘুরি নাকি?”
সোম বললো “আরে গাধা, টাকা যাই যাক, ফোন টা যেন না হারাই। তোর ফোনের কিছু হলে কিন্তু আমি মরে যাব।”
রাই, “দূর হ !! শয়তান।।”

— সুপর্ণা ঘোষ (১২ অক্টোবর ২০১৭)

About Author

“মেঘ বৃষ্টি” আসলে আমার ডাইরির পাতা। কিছুটা কল্পনা, কিছুটা ছেলেমানুষি, কিছুটা অভিমান আর অনেকটাই স্মৃতি। ছোটবেলা থেকেই লিখতে ভালো লাগতো, ভাবতে ভালো লাগতো। ডাইরির পাতায় কত আঁকিবুঁকি, কত কাটাকুটি, কত দুষ্টুমি আছে। যতটা সম্ভব “মেঘ বৃষ্টি” তে তুলে ধরলাম।

Leave A Reply